
তামিম ইকবাল আই সিউতে ।।
তামিম ইকবাল, বাংলাদেশের ক্রিকেটর এক উজ্জল নক্ষত্র, বুকে অস্বস্তি অনুভব করলে প্রাথমিকভাবে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে হার্টের সমস্যা সন্দেহ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাকে বিমানে করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু পথে তার অবস্থার অবনতি হয়, যার ফলে তাকে ফজিলাতুন্নেসা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মেডিকেল রিপোর্টে তার দুটি ধমনীর একটি 100% ব্লক এবং অন্যটি আংশিকভাবে অবরুদ্ধ সহ একটি বিশাল হার্ট অ্যাটাক নিশ্চিত করেছে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন।
ঘটনার সুত্রপাত :
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের মধ্যকার ম্যাচ চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে। সাভারের বিকেএসপি মাঠে অনুষ্ঠিতব্য প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের খেলায় । প্রথম ইনিংসে ফিল্ডিং করার সময়, তামিম বুকে অস্বস্তি অনুভব করেন ।
কখন থেকে ব্যাথা শুরু হয়েছিলো।
বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা যায় ব্যাথা শুরু হয়েছিলো সকাল থেকেই । আমরা সচারচর যে ভুলটি করি . বুকে ব্যাথা উঠলে মনে করি গ্যাষ্টিকের ব্যাথা, তামিমের ক্ষেত্রে তার ব্যর্তয় ঘটেনি। অস্বস্তি বোধ করাতে তামিম ইকবাল ফিজিও ও ট্রেইনারকে জানান। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়ক ভেবেছিলেন গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা। তাই ওষুধও খান। কিন্তু খানিকক্ষণ পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
বর্তমান অবস্থা :
এখন পর্যন্ত, তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে উপস্থিত রয়েছে এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। জাতীয় দলের সাবেক উইকেটরক্ষক খালেদ মাসুদ ফেসবুকে এক পোস্টে বলেছেন তামিমের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। এটি ছিলো একটি ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাক । চিকিৎসক জানিয়েছেন, ১০০ শতাংশ ব্লক থাকায় তাকে ঢাকায় নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন।
সফলভাবে হার্টে রিং পরানোয় তামিমের অবস্থা অনুকূলে:
সাভারের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে তামিমের হার্টে একটি রিং পরানো হয়েছে। হাসপাতালের মিডিয়া পরিচালক ড. রাজীব হাসান বলেন, এখানে নিয়ে আসার পর চিকিৎসা শুরু হয়। পরবর্তীতে আমরা চিন্তা করি ঢাকায় নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা। কিন্তু উনার অবস্থা ক্রমান্বয়ে গুরুতর হয়ে যায়। আল্লাহর রহমতে উনার অবস্থা অনুকূলে আছে। উনার একটা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, এটার জন্য এনজিওগ্রাম করে এনজিওপ্লাস্ট ও স্টেন্ট করা হয়েছে। স্টেন্টিং খুব স্মুথ ও কার্যকরভাবে হয়েছে। এখনো উনি পর্যবেক্ষণে আছে, গুরুতর অবস্থা এখনো কাটেনি। এটা একটু সময় লাগবে। সবাই উনার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছি।’
লেখক: আবদুল আজিজ
সুত্র : অনলাইন
আমিন